Fault-Intolerant by Isaac Asimov

এই ব্লগে যে ছোটগল্পগুলি পোস্ট করা হয়েছে তার ক্রমেই একটি ছোটগল্প – অন্ধযুগের সৃজনসঙ্গী – প্রকাশিত হয়েছে ‘তীরন্দাজ’ পত্রিকায়। এইখানে তার লিংক রইলো। গল্পটির সাথে সম্পর্ক আছে আইজ্যাক অ্যাসিমভের এই গল্পটির।

The short-story beneath was compiled in Gold: The Final Science Fiction Collection is a 1995 collection of stories and essays by American writer Isaac Asimov. It is an inspiration behind a short-story of mine which is forthcoming. Copyright belongs to the publisher of the anthology.

14 february

I didn’t get confused. Now that the proof is in, I can talk about it. The short story went as smoothly as cream. I brought it in and they’ve taken it. No problem.

So I’ve finally started my new novel. I should have started it a month ago, but I had to make sure I could work my word processor first. Let’s hope it works. It’ll seem funny not having a pile of yellow sheets I can rifle through when I want to check something I said a hundred pages earlier, but I suppose I can learn how to check back on the discs. Continue reading “Fault-Intolerant by Isaac Asimov”

বিস্ময়ের দৃশ্যাবলী: ‘লা জেটি’ এবং ‘২০০১ এ স্পেস ওডিসি’

আজকের পোস্টটা – আমার আসন্ন সিনেমায় মাথা খাওয়া উপন্যাসটা নিয়ে যথারীতি – দুটি কল্পবিজ্ঞান ছবি নিয়ে। এরকম হওয়া ভালো – কেউ আমাকে জিগ্যেস করলো যে আমার সর্বাধিক প্রিয়তর কোনো ছবি বা উপন্যাস কি? আমি বললাম এবং পরবর্তী প্রশ্ন এলো – প্রভাবটা আছে কীভাবে। আমি বলতে পারলাম না। নিজেই ধন্দে পড়ে গেলাম যে এত প্রিয় – তাহলে প্রভাবটা আছে কীভাবে?
এরকম দুটি ছবি হল ক্রিস মার্কারের ‘লা জেটি’ (১৯৬২) এবং স্ট্যানলি কুব্রিক ও আর্থার সি ক্লার্কের ‘২০০১ এ স্পেস ওডিসি’ (১৯৬৮)। ছবির ভক্ত না হলেও এই দুটি ছবি দেখলে জীবনটা একটু হলেও অজানা কোথাও পালটে যাওয়া উচিত। কিন্তু তার আগে কিঞ্চিত ভিন্ন প্রসঙ্গ।
অন্যান্য জনেরিক ফিকশনের – যেমন হরর, ফ্যান্টাসি, গোয়েন্দা গল্প বা ক্রাইম থ্রিলার, হিস্টরিকাল – চাইতে কল্পবিজ্ঞানের একটা সুক্ষ্ম তফাত আছে। কল্পবিজ্ঞান – অনেকের মতে – লিখতে গেলে বা রসাস্বাদন করতে গেলে – বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনার উপর ভিত্তি করে করা উচিত। Continue reading “বিস্ময়ের দৃশ্যাবলী: ‘লা জেটি’ এবং ‘২০০১ এ স্পেস ওডিসি’”

অধিকৃত শরীর ও অবচেতনের অরণ্য: ‘দ্য থিং’, ‘এলিয়েন’ এবং আশির দশকের আতংক

জন কার্পেন্টারের ‘দ্য থিং’ (১৯৮২) নিয়ে লেখার ইচ্ছে সেই ‘ব্লেড রানার’-এর উপর পোস্টটা শেষ হওয়ার পর থেকেই। লিখতে পারছিলাম না, কারণ একটা ছবির পেটে আরেকটা ছবি, আরো উপন্যাস ঢুকে পড়ছে।
এই ব্লগ অনেকের অদ্ভূত লাগতে পারে – একটা উপন্যাসের ব্লগে এত ছবির কথা কেন? হোক না – উপন্যাসের সম্ভার থেকে যদি ছবির জন্ম হয়, ছবির স্মৃতি থেকেও একটা উপন্যাস হোক না কেন!
খুব কম বাঙালি চলচ্চিত্ররসিকই জন কার্পেন্টারকে চেনেন। কারণ জন কার্পেন্টার গ্রহনযোগ্য পুরস্কার পাননি কোনও, কাজও করেছিলেন এমন একটা কপালপোড়া দশকে – ১৯৮০র দশকে – যখন সারা পৃথিবীতেই ছবির মান নিম্নমুখী। কোনোদিনও বড় স্টুডিওর প্রসাদ পাননি। বা, ‘দ্য থিং’-এ পেয়েছিলেন, কিন্তু ছবিটির বক্স অফিসে ব্যর্থতা সেই সম্ভাবনা বন্ধ করে দিয়েছিল। আর বাঙালিদের না জানার কারণ আরেকটি – যেটা এই ব্লগের মুখ্য থিম হয়ে উঠছে – জন কার্পেন্টার generic ছবি করতেন।
বাঙালিরা গোদার-ত্রুফো এবং ফরাসী নিউ ওয়েভ ভালোবাসে; কিন্তু অদ্ভূত কান্ড হল – গোদাররা হলিউডের সিস্টেমটি যেমন আদপেই ভালোবাসতেন না – তেমনই ভালোবাসতেন হলিউডের বেশ কিছু ছবি আর তাদের নির্মাতাদের। সেই নির্মাতাদের মধ্যে অনেকে ছিলেন যারা সস্তা থ্রিলার বানাতেন। সস্তা থ্রিলারের মধ্যে যে রাজনৈতিক-দার্শনিক সম্ভাবনাগুলি থাকে, স্রষ্টার বিশ্ববীক্ষা প্রকাশের উপায় থাকে, সেগুলি গোদার-ত্রুফোরা বুঝতেন, তাদের বাঙালি ভক্তরা বোঝেন না। যেমন এই ভক্তরা বোঝেন না কেন তাদের পুজ্য চলচ্চিত্রকারেরা মূলধারার কিছু সস্তা ছবিকে ভালোবাসেন (বুঝলে তারা দীর্ঘদিন আমাদের মেলোড্রামাকে হেয় করতেন না), তেমন তারা বোঝাতেই পারবেন না কেন ওজুর পছন্দ ছিল জন ফোর্ডের ছবি, বা আব্বাস কিয়ারোস্তামির প্রিয় ছবি ছিল ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলার ‘দ্য গডফাদার’। Continue reading “অধিকৃত শরীর ও অবচেতনের অরণ্য: ‘দ্য থিং’, ‘এলিয়েন’ এবং আশির দশকের আতংক”

নগরে অন্তরের অন্ধকার – Film Noir

noir-film-pic

ফিল্ম নোয়া জিনিসটা একধরণের জঁর বা গোত্র নাকি একধরণের স্টাইল বা শৈলী সেটি নিয়ে ধন্দ আছে, দুইয়ের দিকেই যুক্তির পাল্লা ভারি। জঁর হলে তার একটি বিশেষ জগত তৈরি হয় – চরিত্র, প্রেক্ষাপট, আখ্যানভঙ্গী, গল্পের উপাদান নিয়ে; আর শৈলী হলে সেটা যে কোনো ধরণের গল্পেই ব্যবহার করা যায়। বস্তুত, ফিল্ম নোয়ার যাত্রাটি ভীষণ বিচিত্র, সেটি নিয়ে সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি। Continue reading “নগরে অন্তরের অন্ধকার – Film Noir”

‘ব্লেড রানার’ – ‘৮২-র জুনের একটি কল্পবিজ্ঞান ছবি

১।

২৫ জুন, ১৯৮২তে দুটি সায়েন্স ফিকশন ছবি মুক্তি পেয়েছিল – রিডলি স্কটের ‘ব্লেড রানার’ এবং জন কার্পেন্টারের ‘দ্য থিং’। দুটির কোনোটিরই আশানুরূপ বক্স অফিস সাফল্য মেলেনি; দুটি ছবিই অতঃপর কল্পবিজ্ঞান ছবির জগতে কাল্ট ছবি হিসেবে গন্য হবে। সত্যি বলতে কি এটা বলাই যায় যে কল্পবিজ্ঞান ছবির ইতিহাস দুই ভাগে বিভক্ত – ব্লেড রানারের আগে এবং ব্লেড রানারের পরে। স্কটের ছবি অনেক গন্ডগোলের মধ্যে দিয়ে গেলেও বড় স্টুডিওর প্রসাদ পেয়েছিল, কার্পেন্টারও এই প্রথম বড় স্টুডিওর পরিকাঠামো পেলেন। দুটি ছবির দূর্ভাগ্যই ছিল যে দুই সপ্তাহ আগে মুক্তি পেয়েছিল স্টিভেন স্পিলবার্গের ‘ইটি’। বাল্যকালে অনেকের মতই ‘ইটি’ খুবই প্রিয় ছবি ছিল আমার, যদিও পরে যখন শুনেছিলাম যে সত্যজিৎ রায়ের প্রায় অঙ্কুরে বিনষ্ট হওয়া এলিয়েন-এর সাথে ইটি-র বড্ড মিল – ছবিটিকে খারাপবাসতে শিখেছিলাম।

দুই বছর আগে প্রায় ঝড়ের গতিতে যখন ‘অপার্থিব’ লিখছি, তখন কি আর জানতাম যে এই প্রতিটি ছবিরই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব থাকবে আমার লেখায়? Continue reading “‘ব্লেড রানার’ – ‘৮২-র জুনের একটি কল্পবিজ্ঞান ছবি”

সত্যজিৎ রায়, প্রফেসর শঙ্কু এবং আমাদের কল্পবিজ্ঞানের কল্পনা

ঠিক যেমন সিনেমায় এবং গোয়েন্দা গল্পে – কল্পবিজ্ঞান গল্পের ক্ষেত্রেও বাঙালিদের সত্যজিৎ রায়ের দীর্ঘ ছায়ার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার কথা, আবার প্রয়োজন তাকে ছাড়িয়ে কয়েক কদম এগিয়ে যাওয়া। না হলে পিতৃছায়ায় স্বাবলম্বন তো হল না আর।

আমার লেখা প্রথম উপন্যাস বেরোচ্ছে, এবং সেটি কল্পবিজ্ঞান কাহিনী (অর্থাৎ কিনা আমার লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস কল্পবিজ্ঞান নাও হতে পারে, বা আমি দ্বিতীয় কোন সায়েন্স ফিকশন নাও লিখতে পারি)। আমি যেহেতু আদতে সিনেমার লোক, আমার একটি ভিন্ন গল্পবিশ্ব আছে ধার নেওয়ার জন্য; এবং আমার গল্পের যা মেজাজ – সেক্ষেত্রে সত্যজিৎ রায়ের প্রভাবের থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল।

কিন্তু সেটা ধৃষ্টতা না হলেও, অকৃতজ্ঞতা হত। Continue reading “সত্যজিৎ রায়, প্রফেসর শঙ্কু এবং আমাদের কল্পবিজ্ঞানের কল্পনা”