Publisher

বৈভাষিক

FINAL LOGO COLOUR copy

বৈভাষিক প্রকাশনী বইয়ের বিকল্প ভাষ্য নির্মাণে ব্রতী। বই নামক বস্তু-প্রত্যয় দিয়ে আমাদের শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়। পঠন এবং পাঠন আমাদের জীবন নামক আকর গ্রন্থের সান্নিধ্যে নিয়ে আসে যা থেকে শুরু হয় সৃজনের নতুন কর্মকাণ্ড। পাঠক লিখনকর্মী হয়ে উঠলে বই ফিরে আসে পড়া থেকে লেখায়। সৃজনের অদূরেই থাকে বিশ্লেষণী মনন। সাহিত্যের নিকটে এভাবেই বসত গড়ে সমালোচনাসাহিত্য। বই ফিরে আসে পড়া, লেখা ও দেখায়। শিক্ষা, সৃজন ও বিশ্লেষণের এই তিনমাত্রায় নিয়োজিত বৈভাষিক প্রকাশনী বই দিয়ে আপনাদের ঘিরে রাখতে চায়। বইয়ের ঘরে বন্ধুর হাত অক্ষরের বিকল্প বানান হয়ে থেকে যায়। বই কথকতার ভাষা জানে। জানে প্রতিরোধের সংস্কৃতি।

Boibhashik is a bibliophile’s endeavour to make an alternative discourse through books. Our tryst with the matter called book lies at the origin of our educational life. Books bridge distances with life and we burn with the zeal to create; to turn life itself into a book. As the reader becomes a writer, the book returns to its role as a connector between the two halves of the same person. The drive to interpret is not far from all this and critical literature rests itself on the creative, much like the two operations of reading and writing. Boibhashik as a publishing house aims to be faithful to this triumvirate of education, creation and interpretation. We dream of a house of books where these smooth tactile objects, enlivened by letters will offer friendly company. When everything fails including the heaven, books become a haven. Books know the syllables of intimacy. They radiate with the right to resist.

বৈভাষিকের ফোন নম্বর 9073802994 এবং 7980670564; ইমেল আইডি boibhashik@gmail.com; ফেসবুক পেজ এই লিংকে

বৈভাষিকের অন্যান্য বই

আমার ঠিকানা – ভূদেব সেন
A Partition Biofiction that starts well before Partition
১৯৩৫ অবিভক্ত ভারতের নোয়াখালি জেলার অন্তর্গত একটা ছোট্ট দ্বীপ – নাম সন্দ্বীপ। সেই ছোট্ট দ্বীপের পেটের ভেতরের ততোধিক ছোট একটা গ্রাম মুসাপুর, মুখে মুখে মুছাপুর। সাগরের করাল গ্রাসে একটা পরিবার অচিরেই সম্পন্ন পরিবার থেকে গৃহহীন নিঃস্ব হয়ে যাবার সময় কল্পনাও করতে পারে নি যে ঈশাণ কোণে গভীর মেঘ জমেছে। ভাবতে পারে নি যেভাবে সাগর তাদের আক্ষরিকভাবেই পায়ের তলার মাটী কেড়ে নিয়ে পথের ভিখারি করে দিয়েছিল , এক অমোঘ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কেড়ে নেবে প্রিয় প্রান, করে দেবে অবাঞ্ছিত বাস্তুহারা। অচেনা দেশে খুঁজে ফিরতে হবে আমার ঠিকানা।

jhurokobita-final fron cover ঝুরোকবিতাকাজল সেন

অস্তিত্ববাদী ভাবনানুযায়ী জীবন হল সেই সরলরেখা যার দুটি খোলামুখ অতীত ও ভবিষ্যতের অমোঘ উপস্থিতিকে তাচ্ছিল্যসহকারে, অথবা কাতর যন্ত্রণায়, উপেক্ষা করে। ‘ঝুরোকবিতা’ও তাই। সীমা ও অসীমের মাঝে ত্রিশঙ্কুর মতো ঝুলে থাকে ঝুরোকবিতা তার বর্তমান যাপনপ্রক্রিয়ায়। কবি সেই উল্লম্ব যাপনবর্ণনা উপস্থাপিত করেন নিরাভরণ অবয়বে এবং নির্লিপ্ত ভঙ্গিমায়।

ধারণা হিসেবে ‘ঝুরোকবিতা’ বাংলা সাহিত্যে সম্ভবত প্রথম পদার্পন করে অধ্যাপক কাজল সেনের চিন্তাশীল কলমের মাধ্যমে। তাঁর ঝুরোকবিতার এই সংকলনে একশো আঠাশটি কবিতার পংক্তিগুলি, সমস্তরকম যতিচিহ্ন ছাড়া, এক ‘স্ট্রিম অফ কনশাসনেস’ প্রক্রিয়ায়, অথবা হয়তো চেতনাপ্রবাহেই, উঠে আসছে, এবং অবশেষে মুক্তদলের মতো চলে যাচ্ছে নিজ নিজ পথে। কখনো তাদের অর্থের বিশীর্ণ স্রোত যেন মরুপথে ধারা হারাচ্ছে। যৌক্তিকতার পথে হাঁটেননি কবি কাজল সেন, তবু কোথাও একটা ‘ফাজি’ ধরনের লজিক কিন্তু থেকেই গেছে সমগ্র উপস্থাপনায়!