About

এই ব্লগটি আমার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘অপার্থিব’-র একটি প্রোমোশনাল ব্লগ। বৈভাষিক প্রকাশিত এই উপন্যাসের মুক্তিপ্রাপ্তির প্রাক্কালে ব্লগটি খোলা, এবং বইটি যদি লোকে পড়েন, বইটি নিয়ে উৎসাহ থাকলে ব্লগটি তার উদ্দেশ্য সাধিত হওয়ার পরেও আরো কিছুদিন চলবে।

লেখক প্রসঙ্গে

626

অনিন্দ্য সেনগুপ্ত পেশায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্রবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক; তিনি সিনেমা, সংস্কৃতি, মাঝেমধ্যে সাহিত্য নিয়ে লেখালেখি করেন।

শৈশব ও কৈশোর কেটেছিল দুর্গাপুরে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে আবার চলচ্চিত্রবিদ্যায় এম এ করেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। গবেষণার বিষয় সত্যজিৎ রায় ও ঋত্বিক ঘটকের সিনেমা। ভালোবাসার বিষয় আব্বাস কিয়ারোস্তামির, ফরাসী নবতরঙ্গ (বিশেষ করে জঁ-লুক গোদার) ও হলিউডের ছবি, এবং মৌসুমী ভৌমিক ও লিওনার্ড কোহেনের গান। কলকাতায় এখনও স্বচ্ছন্দ হতে পারেননি।

‘অপার্থিব’ তার লেখা প্রথম উপন্যাস। তিনি যৌবনে কোনো কবিতার বই প্রকাশ করেননি, যৌবনে লেখা অন্তত দুটি পদ্যের খাতা ও কিশোরবেলায় লেখা একটি গোয়েন্দা উপন্যাস হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি কল্পবিজ্ঞান ঔপন্যাসিক হতে চান নাক, তবে তার বিভিন্ন ধরণের generic fiction লেখার ইচ্ছে আছে।

‘অপার্থিব’-র প্রকাশক বৈভাষিক

FINAL LOGO COLOUR copy

বৈভাষিক প্রকাশনী বইয়ের বিকল্প ভাষ্য নির্মাণে ব্রতী। বই নামক বস্তু-প্রত্যয় দিয়ে আমাদের শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়। পঠন এবং পাঠন আমাদের জীবন নামক আকর গ্রন্থের সান্নিধ্যে নিয়ে আসে যা থেকে শুরু হয় সৃজনের নতুন কর্মকাণ্ড। পাঠক লিখনকর্মী হয়ে উঠলে বই ফিরে আসে পড়া থেকে লেখায়। সৃজনের অদূরেই থাকে বিশ্লেষণী মনন। সাহিত্যের নিকটে এভাবেই বসত গড়ে সমালোচনাসাহিত্য। বই ফিরে আসে পড়া, লেখা ও দেখায়। শিক্ষা, সৃজন ও বিশ্লেষণের এই তিনমাত্রায় নিয়োজিত বৈভাষিক প্রকাশনী বই দিয়ে আপনাদের ঘিরে রাখতে চায়। বইয়ের ঘরে বন্ধুর হাত অক্ষরের বিকল্প বানান হয়ে থেকে যায়। বই কথকতার ভাষা জানে। জানে প্রতিরোধের সংস্কৃতি।

বৈভাষিকের সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন