Aparthibo

অপার্থিব – একটি কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস – প্রকাশিত হয়েছে!

Blog 2

একটি বৈভাষিক প্রকাশনা

বাংলা ভাষার অন্যান্য কল্পবিজ্ঞানকাহিনীর পটভূমি, কাহিনীবিন্যাস, চরিত্র, ভাষা, দ্যোতনা, ব্যবহার সবকিছু থেকেই ‘অপার্থিব’ অনেকটা আলাদা। এমনকি অভীষ্ট পাঠকগোষ্ঠীও আলাদা— ‘অপার্থিব’ কোনোভাবেই শিশুপাঠ্য নয়।

বই পাওয়া যাবে

কলেজ স্ট্রিট
অভিযান বুক স্টোর
দে’জ
দে বুক স্টোর (আদি এবং দীপু)
চক্রবর্তি-চ্যাটার্জি
ধ্যানবিন্দু

যাদবপুর
কাফে কবিরা
কফি হাউজের নিচে স্টাডি
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্টস বিল্ডিং-এর লিফটের পাশের দোকান

অন্যান্য
স্টারমার্ক (এলগিন রোড)
অক্সফোর্ড বুক স্টোর, স্টোরি (আগামী সপ্তাহ থেকে)

বাংলাদেশ
বাতিঘর
(জুনের মাঝামাঝি থেকে সরাসরি পাওয়া যাবে)
অর্ডার করলে পাওয়া যাবে
তক্ষশীলা, পাঠক সমাবেশ, প্রথমা-য়

উত্তরবঙ্গ
প্রকাশকদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন

অনলাইন
logo dokandar

RBB Logo-01

ব্যাঙ্গালোরে (গুগল ম্যাপে লোকেশন এইখানে) Call / Message / WhatsApp: +91 991 633 8493

FavBookStore

কিছুদিন পরে
amazon-logo-preview
Flipkart_logo

বৈভাষিক প্রকাশনী
7980670864
9073802994
boibhashik@gmail.com

‘অপার্থিব’ প্রকাশিত হবে মে ২০১৭-র শেষ সপ্তাহে। বইয়ের প্রচ্ছদ এঁকেছেন অভীক কুমার মৈত্র
অপার্থিব

goodreads-badge-add-plus-71eae69ca0307d077df66a58ec068898

Blog 1

Advertisements

এই ব্লগের পোস্টসূচী

 

This slideshow requires JavaScript.

‘অপার্থিব’-র প্রেক্ষাপট বোঝাতে কয়েকটি ছোটগল্প লিখেছিলাম এই ব্লগে –

  • সৃষ্টি প্রিয়দর্শিনীর মন - ১। সমরেন্দ্র স্যান্যাল কলকাতার উচ্চতম বিল্ডিং আর্বানা ১০-এর মাথার উপর একটি চপার ঘুরপাক খেতে খেতে নামছিল। আর হেলিপ্যাডের ধারে দাঁড়িয়েছিলেন কলকাতা পুলিসের ডিসি সমরেন্দ্র স্যান্যাল এবং তার ব্যক্তিগত আধিকারীক কর্পুর ধর। এই উচ্চতা থেকে ইন্স্যুলেটেড শহরটার প্রায় পুরোটা দেখতে পাওয়া যায়, এমনকি সন্তোষপুর থেকে নো ম্যান্‌স ল্যান্ডটা এবং তারও আড়াই মাইল দূরে ঝাপসা শহরঘেরা তারের …
  • রিখি এবং লিঙ্গোপেনের অপার্থিব সঙ্গীত - ইনস্যুলেটেড কলকাতার মধ্যশহরে – অর্থাৎ সল্ট লেক সিটির দ্বিতীয় উচ্চতম অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এর চোদ্দতলার নির্বাসনে – হ্যাকার সুহৃদ মন্ডল বুঝতে পারছেনা সে তারকাখচিত অন্ধকার শহরের দিকে তাকিয়ে আছে না তার ল্যাপটপের হলোগ্রাফিক আয়তক্ষেত্রের দিকে। সে তো আর কয়েকদিনের জন্য হ্যাকার। আর এই কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে বস্তার নিয়ে উপন্যাসটিও লিখে ফেলতে হবে। কারণ যতদিন হ্যাকার থাকতে …
  • ট্রিন-টি আর সেই লোকটা - প্রায় ভোররাতের দিকে তরুণ সৈনিকটি এই দেশের শেষতম স্টেশনটিতে এসেছিল। সেই সন্ধ্যে থেকেই ভারি, হালকা, ঝিরঝিরে – বিভিন্ন মাত্রার বৃষ্টি পড়ে চলেছে। ও একা আসেনি, পুরো রেজিমেন্টটাই এসেছে। আর দূরে একগাদা গ্রাম্য গরীবের ভিড় তাকিয়ে আছে ওদের দিকে – তাদের মধ্যে একটি বালিকা আছে বছর সাতেক বয়সের। তার নাম ট্রিন-টি। তরুণ সৈনিকটির নাম এই গল্পে প্রয়োজনীয় …
  • আর্শি নগর - ঢাকুরিয়া ব্রিজের মাঝবরাবর হাঁ করা ভাঙা জায়গাটায় ওরা তিনজন বসে পা দোলাচ্ছিলো – গগন, ছিদাম আর ইউসুফ। নিচে রেললাইনটার উপর ঝুঁকে পড়েছে একটা বটগাছ – কি আজবভাবে জন্মিয়ে, বেড়ে, ডালপালা মেলে টিকে গেছে এমন যুগে যখন গাছপালা টিকতে পারেনা খুব একটা; যদিও পাতাগুলো সবুজ নয় ঠিক, সবজে বাদামী বলা যায়। রাত এখন সাড়ে তিনটে – …

এই লেখাগুলো বাংলায় কল্পবিজ্ঞান লেখা নিয়ে কিছু ভাবনা থেকে শুরু করা –

আমি সিনেমার ছাত্র, গবেষক, শিক্ষক। ‘অপার্থিব’-র অনুপ্রেরণা হিসেবে কিছু ছবির আলোচনা এখানে রইলো –

‘অপার্থিব’ পড়ে অন্যের লেখা, ছবি ইত্যাদি; তাদেরকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে সংগৃহীত করা রইলো –

  • Review by Debarghya Goswami - দেবার্ঘ্য গোস্বামীর এই রিভিউটি প্রকাশিত হয়েছে ‘তীরন্দাজ’-এ। ‘অপার্থিব’-র তুঙ্গে বৃহস্পতি চলছে! সম্রাট সেনগুপ্তর সমালোচনাটির পরে ‘তীরন্দাজ’-এ বেরোনো দেবার্ঘ্য গোস্বামীর এই রিভিউটিই আমার কাছে সবচাইতে স্পর্শ করেছে 🙂 লিংক দিলাম, কিন্তু পুরো লেখাটাই উদ্ধৃত করার লোভ সামলাতে পারছি না! ‘অপার্থিব’ সম্বন্ধে পার্থিব ভাবনা-সুলুক দেবার্ঘ্য গোস্বামী সংগীতের যেমন নিজস্ব ভাষা আছে, নিজস্ব ভাষা আছে ছবি ও সিনেমার …
  • Responses by Ankita Ghosh - Two Responses by Ankita Ghosh – ১। “কাল রাতে একটা কল্পবিজ্ঞানের উপন্যাস পড়তে গিয়ে মাথার কোডগুলি রিস্ট্রাকচার্ড হয়ে অর্থাৎ সোজা বাংলায় ঘেঁটে গিয়ে আমি এক অনুভূতিহীন অস্তিত্বে পরিণত হলাম বুঝলাম আমি এক অনাশ্চর্য মানুষ অকারণ এবং নিরালম্ব বেঁচে থাকা ছাড়া যার কোন মোটিভেশন নেই তার নামে কেউ উৎসর্গ করেনি কোন বই নিয়মিত ব্যায়াম করে সুগঠিত …
  • Review by Samrat Sengupta - সম্রাট সেনগুপ্ত কালিমাটি অনলাইনে ‘অপার্থিব’-র একটি রিভিউ লিখেছেন – “প্রথমত আমি ঝাঁকিদর্শনে অভ্যস্ত নই, দ্বিতীয়ত মতাদর্শগতভাবে রিভিউ নামক ক্রিয়ার বিপরীতে অবস্থিত এই বই। রিভিউয়ে যে পুনরাবৃত্তির সম্ভবনা থাকে, যে ‘রি’ নামক পূর্বযোজনটি অনুষ্ঠিত হতে চায়, তাকে ব্যাহত করে এই বইয়ের মুল সুরটি। অতীতের আবর্তন নয়, বরং তাকে মুছে ফেলা, সাজানো ফাইল সমূহের কোরাপ্ট হয়ে যাওয়া, …
  • Review by Shan Bhattacharya - Review by Shan Bhattacharya “বাংলায় উচ্চমার্গের কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য পড়তে পারা আর বনগাঁর আকাশে অরোরা দেখা প্রায় একই ব্যাপার। মনেপ্রাণে চাই, কিন্তু বাস্তবে পেতে গেলে জিভের তলায় বুদ্ধ দিতে হবে। বাংলায় কল্পবিজ্ঞানের নামে অল্পবিস্তর যেটুকু লেখালিখি হয় তা এড়িয়ে চলি এই কারণেই। তাছাড়া বয়েস মধ্য তিরিশে এসে ঠেকেছে, হাতে সময় খুব কম। তবু অনিন্দ্য সেনগুপ্তর সাম্প্রতিকতম …
  • Review by Ishita Karmakar - আনুমানিক ২০৬৫ সাল..আটটি যুযুধান কর্পোরেশনের শাসনে পৃথিবী..৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে প্রক্সিমা সেন্টরি তারকামন্ডলের গ্রহ করোনা,যেখানে প্রাণ আছে..একটি কর্পোরেশন থেকে পাঠানো বিজ্ঞানী অভিযাত্রীদলের সদস্যরা একের পর এক বোধবুদ্ধিহীন জড়ভরতে পরিণত হচ্ছে..রহস্যের সমাধানে সেখানে পাঠানো হয় সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হ্যাকার দারিয়াস মজুমদারকে..শেষে কি ঘটলো? হ্যাঁ,এতদূর পড়ে পুরোটা পড়ার জন্য প্রাণ হাঁকপাঁক করলে দোষের কিছু নেই।
  • Review by Arup Mandal - Thanks to Arup Mandal for this review!
  • Review by Riju Ganguly - ‘অপার্থিব’-র প্রথম রিভিউ বেরিয়েছে অবসর ডট নেট-এ। আলোচনা করেছেন ঋজু গাঙ্গুলী
  • - বন্ধু দীপংকর সেন লিখেছেন “আনন্দ কারে কয়? একটি আনন্দ বলি। এখন থেকে সাতাশ বছর আগে আলাপ হওয়া এবং প্রায় নিমেষেই বন্ধু হয়ে যাওয়া এবং নিরবিচ্ছিন্ন বন্ধুত্বে থেকে যাওয়ার একজন যখন অনেক, অনেক দিনের ক্রিয়েটিভ পরিশ্রমের পর কিছু একটা তৈরী করতে পারে, তখন আনন্দ হয়। বলছি অনিন্দ্য সেনগুপ্ত ও তার বই অপার্থিব’এর কথা। আমি অত্যন্ত আনন্দিত …
  • ‘অপার্থিব’ নিয়ে তমোঘ্ন - এই লেখাটি তমোঘ্ন হালদার – আমার অন্য ব্লগের সহলেখক – লিখেছিল ‘অপার্থিব’-র প্রথম ড্রাফট পড়ে। তমোঘ্ন – অনেক সময়েই – এমন গাঢ় গদ্য লেখে যাতে ব্যক্তিগত এবং ঐতিহাসিক মিলিয়ে মিশিয়ে থাকে। আমি বুঝতে পারিনি যে ‘অপার্থিব’ এমন একটি গদ্য – যা কিনা আদপেই রিভিউ নয় , বরং বলা যায় উপন্যাসটির পূণর্লিখন – ট্রিগার করতে পারে। …

About

এই ব্লগটি আমার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘অপার্থিব’-র একটি প্রোমোশনাল ব্লগ। বৈভাষিক প্রকাশিত এই উপন্যাসের মুক্তিপ্রাপ্তির প্রাক্কালে ব্লগটি খোলা, এবং বইটি যদি লোকে পড়েন, বইটি নিয়ে উৎসাহ থাকলে ব্লগটি তার উদ্দেশ্য সাধিত হওয়ার পরেও আরো কিছুদিন চলবে।

লেখক প্রসঙ্গে

626

অনিন্দ্য সেনগুপ্ত পেশায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্রবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক; তিনি সিনেমা, সংস্কৃতি, মাঝেমধ্যে সাহিত্য নিয়ে লেখালেখি করেন।

শৈশব ও কৈশোর কেটেছিল দুর্গাপুরে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে আবার চলচ্চিত্রবিদ্যায় এম এ করেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। গবেষণার বিষয় সত্যজিৎ রায় ও ঋত্বিক ঘটকের সিনেমা। ভালোবাসার বিষয় আব্বাস কিয়ারোস্তামির, ফরাসী নবতরঙ্গ (বিশেষ করে জঁ-লুক গোদার) ও হলিউডের ছবি, এবং মৌসুমী ভৌমিক ও লিওনার্ড কোহেনের গান। কলকাতায় এখনও স্বচ্ছন্দ হতে পারেননি।

‘অপার্থিব’ তার লেখা প্রথম উপন্যাস। তিনি যৌবনে কোনো কবিতার বই প্রকাশ করেননি, যৌবনে লেখা অন্তত দুটি পদ্যের খাতা ও কিশোরবেলায় লেখা একটি গোয়েন্দা উপন্যাস হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি কল্পবিজ্ঞান ঔপন্যাসিক হতে চান নাক, তবে তার বিভিন্ন ধরণের generic fiction লেখার ইচ্ছে আছে।

‘অপার্থিব’-র প্রকাশক বৈভাষিক

FINAL LOGO COLOUR copy

বৈভাষিক প্রকাশনী বইয়ের বিকল্প ভাষ্য নির্মাণে ব্রতী। বই নামক বস্তু-প্রত্যয় দিয়ে আমাদের শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়। পঠন এবং পাঠন আমাদের জীবন নামক আকর গ্রন্থের সান্নিধ্যে নিয়ে আসে যা থেকে শুরু হয় সৃজনের নতুন কর্মকাণ্ড। পাঠক লিখনকর্মী হয়ে উঠলে বই ফিরে আসে পড়া থেকে লেখায়। সৃজনের অদূরেই থাকে বিশ্লেষণী মনন। সাহিত্যের নিকটে এভাবেই বসত গড়ে সমালোচনাসাহিত্য। বই ফিরে আসে পড়া, লেখা ও দেখায়। শিক্ষা, সৃজন ও বিশ্লেষণের এই তিনমাত্রায় নিয়োজিত বৈভাষিক প্রকাশনী বই দিয়ে আপনাদের ঘিরে রাখতে চায়। বইয়ের ঘরে বন্ধুর হাত অক্ষরের বিকল্প বানান হয়ে থেকে যায়। বই কথকতার ভাষা জানে। জানে প্রতিরোধের সংস্কৃতি।

বৈভাষিকের সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন

 

Video Trailers

‘অপার্থিব’ যারা প্রকাশ করছেন, তাদের সামর্থ্য কম কিন্তু উৎসাহ প্রবল। আমাদের শুন্য ভান্ডার নিয়েই অভিনব প্রচার করতে হবে, এই শর্ত নিজেদের দিয়ে বইয়ের কিছু ভিডিও ট্রেলার তৈরি করেছি। এখানে সেগুলির লিংক রইলো

পরের দুটি ভিডিও বলা যেতে পারে উপন্যাসের প্রথম পরিচ্ছেদের টিজার ট্রেলার। ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত ফুটেজ থেকে প্রথমটি  বানিয়েছেন অরূপরতন সমাজদার এবং স্নিগ্ধেন্দু ঘোষাল। দুটি ভিডিওর সাউন্ড ডিজাইন করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ শুভদীপ সেনগুপ্তকে।

এই ভিডিওটি বানিয়েছেন সেঁজুতি দত্ত।

Contact

লেখককে মেসেজ পাঠাতে হলে নিচের ফর্ম ব্যবহার করুন।